ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

দুই হাজার একর জমি অনাবাদি

চট্রগ্রামের পটিয়া উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের তিন সড়কে পানি নিস্কাশনের কোনো কালভার্ট না থাকায় ২ হাজার একর জমি জলাবদ্ধাতায় অনাবাদি হয়ে পড়েছে। সড়কের ওপর দিয়ে বর্ষাকালে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কার্পেটিং, ব্রিক সলিং ও কাঁচা অংশ ভেঙে বড় বড় গর্তেও সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এলাকার জনসাধারণকে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ছনহরা চাটরা বরিয়া এলাকার রামহরি দাশ সড়ক ও হজরত ছিকন খলিফা (রহ.) মাজার থেকে ভাটিখাইন ঠেগঁরপুনি সড়কের ভাঙন এলাকা শুক্রবার পরিদর্শন করেন ছনহরা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতি। এ সময় ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জাহেদুল হক, ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. রফিক, মহিলা সদস্য শাহীন আকতার, সম্জসেবক মো. ঘানিফ, জসিম উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম জুয়েল, বদিউল আলম খান, মফিজুল ইসলাম দৌলতি, নুরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জানা যাং, হজরত ছিকন খলিফা (রহ.) মাজার থেকে ভাটিখাইন ঠেগঁরপুনি সড়ক পর্যন্ত এবয় চাটরা বরিয়া রামহরি দাশ সড়ক হয়ে কচুয়াই ইউপির ভাইয়ারদিঘির পাড়া পর্যন্ত বর্ষার পানি নিস্কাশনের জন্য কোনো কালভার্ট না থাকায় আমপাশের এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বর্ষাকালে পানি এ দুটি সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে ছনহরা ইউনিয়নের ১, ৪ ও ৯নং ওয়ার্ডে ও কয়েকটি গ্রাম পানিতে ডুবে গিয়ে সড়কের ব্রিক সলিং, কার্পেটিং নষ্ট হয়ে গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ছয় থেকে সাত বছর ধরে জলাবদ্ধতায় এলাকাগুলোতে ধানি জমিতে কোনো চাষাবাদ হচ্ছে না। এতে পরিত্যক্ত জমি কচুরিপানায় ভরে গেছে। এখানে হাজার একরের বেশি জমি অনাবাদি হয়ে রয়েছে। সড়কগুলোতে পাঁচ থেকে ছয়টি কালভার্ট নির্মাণ করলে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।
 
ছনহরা ইউপি সদস্য মো. রফিক ও জাহেদুল হক জানান, ছনহরা চাটরা বরিয়া এলাকর বামহরি দাশ সড়ক, হজরত ছিকন খলিফা (রহ.) মাজার থেকে ভাটিখাইন ঠেগঁরপুনি সড়কের দুই পাশে অর্ধশত একর ধানি ও ফসলি জমিতে কোনো চাষাবাদ হয় না। ছনহরা ইউপির ১,৪ ও ৯নং ওয়ার্ডে প্রায় ২০ হাজারের বেশি জনসংখ্যা রয়েছে। ৭ থেকে ৮ বছর ধবে এলাকার কৃষক কৃশিকাজ বাদ দিয়েছেন। স্থানীয় কৃষক তোফায়েল আহমদ, বাদশা, মোতাহের, মফিজ দৌলতি, নুরুল আলম, মাহমুদুল হক জানান, ছনহরা হজরত ছিকন খলিফা (রহ.) মাজার থেকে ভাটিখাইন ঠেগঁরপুনি সড়ক পর্যন্ত কোনো কালভার্ট না থাকায় জলাবদ্ধতায় ১০ বছর ধওে ছনহরা উওর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম, পাশর্^বতী আশিয়া ও বাতুয়া গ্রামের প্রায় ২ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।
 
ছনহরা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ দৌলতি বলেন, ছনহরা ইউনিয়নের তিনটি সড়ক বৃষ্টির পানিতে ভেঙে গিয়ে কাপেটিং, ব্রিক সলিং উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জনসাধারণকে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কগুলোতে কয়েকটি কালভার্ট নির্মিত হলে রাস্তাগুলো রক্ষা পাবে এবং এলাকাবাসী চাষাবাদেও সুযোগ পাবে। ২৯ আগস্ট পটিয়া উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী ও ইউএনও হাবিদুল হাসানসহ সয়শ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

ছবি
সেকশনঃ সাধারণ পোস্ট
লিখেছেনঃ Rayhanahmed21 তারিখঃ 20/10/2019 12:30 AM
সর্বমোট 96 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ