ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

তরমুজের নানান ব্যবহার

আমরা সাধারণত তরমুজের লাল অংশটুকুই খেয়ে থাকি, যা সম্ভবত তরমুজের মোট ওজনের প্রায় অর্ধেক এবং বাকি অর্ধেক খোসা। অর্থাৎ, একটি দশ কেজি ওজনের তরমুজের পাঁচ কেজিই খোসা বা ফেলনা! বেশির ভাগ সময়ই মানুষ ফল খেয়ে খোসা ফেলে দেয়। এটা শুধু খাদ্যের অপচয়ই নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি জিনিসও চলে যায়। তরমুজ এমন একটি ফল। যার খোসার রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ্যকর কিছু গুণ। আপনি যদি তরমুজ খাওয়ার পরে খোসা ফেলে দিয়ে থাকেন, তবে এটি করার আগে অন্তত একবার চিন্তা করুন। এই ফলের খোসা সম্পূর্ণ নিরাপদ।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে:
তরমুজের খোসায় রয়েছে সিট্রুলিন, যা ফ্রি রেডিকেল দূর করতে ভালো কাজ করে। এটা এমিনো এসিডে পরিবর্তিত হয়। যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। হার্টের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে এবং শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।
ওজন কমাতে পারে:
যারা নিয়মিত সিট্রুলিন সমৃদ্ধ খাবার খায় তারা বাড়তি ওজন কমাতে পারে। তবে, তরমুজের খোসা খাওয়ার ক্ষেত্রে একেবারে বাইরের সবুজ অংশ সেটা খাবেন না। এটা পেটে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তরমুজে লালের পরে যে সাদা অংশ সেটি-সহ খান। এছাড়া এই সাদা খোসার জুস করেও খেতে পারেন।
রক্তচাপ হ্রাস করতে সাহায্য করে:
যদি আপনার চিকিত্সক আপনাকে আপনার বিপি কমাতে নির্দেশ দিয়ে থাকেন। তবে, তরমুজ খাওয়ার চেষ্টা করুন এবং এক সঙ্গে খোসাও খান। কিছু গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে যে, তরমুজ নিষ্কাশন পরিপূরকগুলি স্থূল লোকদের তাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে সক্ষম। আপনি যদি তাজা ফলের খোসা খেতে না পারেন তবে ডায়েটে সিট্রলাইনের পরিপূরক অন্তর্ভুক্ত করুন।
কিভাবে খাবেন?
পড়তে পড়তে হয়তো ভাবতে শুরু করেছেন, তরমুজের খোসা খাব, কিন্তু কিভাবে? এটি রান্না করেও যেমন খাওয়া যেতে পারে। তেমনি কাঁচা অবস্থায় সালাদ বা জুস হিসেবে খাওয়া যায়। তরমুজের খোসা দিয়ে আঁচার ও হালুয়াও তৈরি করা যায়। তরমুজের খোসা লাউয়ের মতো ছোট ছোট টুকরো করে ডাল, টমেটোর সঙ্গে রান্না করে খেতে পারেন। খেতে অনেকটা চাল কুমড়োর মতো লাগবে। তবে রান্নার চেয়ে কাঁচা খেতে পারলে বেশি উপকারী।

সূত্র: 
 Eisamay (indiatimes.com) 

ছবি
সেকশনঃ সাধারণ পোস্ট
লিখেছেনঃ দুরন্ত.. তারিখঃ 03/05/2021
সর্বমোট 2684 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ