ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

একজন তরুণ গবেষকের গবেষণা ভাবনা

[গোড়ার কথাঃ কিছুদিন ধরে মনে জাগছিল গবেষণা নিয়ে কিছু লিখব। অর্থাৎ একজন তরুণ গবেষক হিসেবে গবেষণা নিয়ে আমি কি ভাবি তা বলার চেষ্টা করব। সেজন্যই "একজন তরুণ গবেষকের গবেষনা ভাবনা" প্রবন্ধটির অবতারণা। এখানে আমি আমার মত তরুণদের গবেষণা প্রতিবেশ অর্থাৎ সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলো সাদা ভাষায় বলার চেষ্টা করেছি এবং একজন তরুণ হিসেবে অন্য তরুণদের জন্য নির্মোহ ভঙ্গিতে কিছু নির্দেশাবলীও বাতলে দেওয়ার চেষ্টা করেছি ।তাই প্রবন্ধটি বেশি উপযুক্ত হবে তরুণ গবেষকদের জন্যই।জানিনা আমি কতটুকু সফল হয়েছি।] গবেষণা হল মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান প্রক্রিয়া এবং নতুন কিছু আবিষ্কারের নেশায় বিজ্ঞানীদের কার্যাবলী। যিনি গবেষণা করেন বা গবেষণা কর্মের সাথে জড়িত, তিনি গবেষক  বা গবেষণাকারী নামে পরিচিত। গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হল বাস্তবিক কোনো সমস্যার সমাধান করা। গবেষণা একটি ধারাবাহিক কার্যপ্রক্রিয়া যা নির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ এর মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। গবেষনা শব্দটিকে সন্ধিবিচ্ছেদ করলে দাঁড়ায় –গো+এষণা। গো মানে গরু আর এষণা মানে বন। তাই আক্ষরিক আর্থে, গবেষণা মানে বনে হন্যে হয়ে গরু খোজা। তবে গবেষণাকে এভাবে ও সংজ্ঞায়িত করা যায়। "Research is a systematized effort to gain new knowledge" গবেষণার দ্বারাই একটি জাতি বা দেশ উন্নতি লাভ করতে পারে। উন্নত বিশ্ব যেটি করে দেখিয়েছে এবং করছে। সেজন্য তারা প্রতিনিয়ত R&D (Research And Development)এর বাজেট বাড়াচ্ছে। গুরুত্ব দিচ্ছে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং গনিত শিক্ষায়। কিন্তু বাংলাদেশ যাচ্ছে উল্টো পথে।কারন সে market oriented education (যে শিক্ষার বাজার মূল্য আছে) বাস্তবায়ন করতে চায়। বর্তমান শিক্ষাক্রম আমাদের সে বার্তাই দেয়। যেখানে বিজ্ঞান এবং অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলোকে খুব ভালো ভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। উদ্দেশ্য নাকি তারা যাতে কিছু করে খেতে পারে। তাই এদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঐ শিক্ষাই দিতে চায় যা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীগুলো চায় যার কারণে ব্যাঙের ছাতার মতো বাড়ছে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংখ্যা। যেগুলোকে মৌলিক বিষয়ের পরিবর্তে ফলিত বিষয়গুলোতে বেশি জোর দেওয়া হয়। চলে তাই রমরমা বাণিজ্য। ক্যাপিটালিস্টরা ও তাই খুশি।যেজন্য দেখা মিলছে আত্মকেন্দ্রিক,স্বার্থান্বেষী ও হিংসুটে তরুণদের। তা ছাড়া এ খাতটাকেও যে নজরদারীর ভেতর আনা যায় সেটাও করা হচ্ছে না।কারণ আজ পর্যন্ত বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য শক্ত কোনো নীতিমালাই তো প্রণয়ন করা সম্ভব হয় নি। উপরন্তু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ফি বছর বাড়ছে ছাত্রদের বেতন। যে কারণে ছাত্ররাও চাচ্ছে market oriented শিক্ষা। আমাদের বিস্ববিদ্যালয় গুলোও রকমই দিচ্ছে।কেননা তারা customization এ বিশ্বাস করে।যে কারণে ঠাণ্ডামাথায় উপেক্ষা করা হচ্ছে Philosophy, Logic's, Mathematics, History, anthropology, Physics এর মত জ্ঞানের মৌলিক শাখা গুলো। আর তাই আমার মনে হয় অদুর ভবিষ্যতে basic research এর চর্চাটা হারিয়ে যাবে। আর সেটাই যে একজন গবেষকের মূল ভিত্তি। তার যদি philosophy (জ্ঞানের আদি শাখা) এবং Logic সম্বন্ধে ভাল ধারণা না থাকে তা হলে সে কিভাবে গবেষনা করবে? সে কিভাবে perfect reasoning প্রয়োগ করে অজানা থেকে জানায় উপনিত হবে? যার কারণে আমরা তরুণেরা সেই মুক্তমনা শিক্ষক লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও কে পাচ্ছি না, পাচ্ছি না আমাদের মত ছাত্র সংগঠন ইয়ং বেঙ্গল স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন। তরুণদের তাই এ ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে হবে। যা হোক, আমরা (বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্ররা ) যখন একটা গবেষণা করতে যাই তখন এখানে নানা ধরণের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করি। যেমন: - Small sampling size -Budget constraints -Lack of working experience -Respondents were reluctant to fill in the questionnaire etc. আসলে বাংলাদেশ এমন একটা দেশ যেখানে আপনি সমস্যা খুঁজলে অনেক সমস্যা পাবেন। অবশ্য সকল গবেষণায় কিছু না কিছু সমস্যা থাকে। আমার একজন স্যারকে উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নকালে প্রশ্ন করেছিলাম, "স্যার,আমাদের দেশে পর্যাপ্ত গবেষণা হয় না কেন?” উনি বললেন, "বাড়িতে বা ক্লিনিকে অসুস্থ বউকে রেখে বা পরিবার পরিজনকে অভুক্ত রেখে তো আর ল্যাবরেটরীতে সময় কাটানো যায় না"। কথাটা ১০০% সত্যি। আবার ইয়ুনিভারসিটিতে ভর্তি হবার পর রাজশাহী ইয়ুনিভারসিটির এক শিক্ষকের মুখে শুনেছিলাম, “আপনি যদি বলেন আপনার resource কম তাহলে একজন Harvard এর ছাত্রও বলবে। মূল কথা হল resource সবসময় limited থাকে। এর best utilization করতে হবে"।তাই আমরা দেখতে পাই বাংলাদেশে আশাবাদী এবং নৈরাশ্যবাদী দুটো দলই আছে। তবে নৈরাশ্যবাদী দলের পাল্লাটাই ভারী। এরাই অভিযোগ করে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত ও দক্ষ গবেষকের অভাব, মানুষের তির্যক দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি ইত্যাদি। তবে আমি আশাবাদিদের দলে। তাই তো মাঝে মাঝে আবৃত্তি করিঃ Sightless, unless The eyes reappear As the perpetual star Multifoliate rose Of death's twilight kingdom The hope only Of empty men. ( Lines 61-67) -------The hollow men, T.S Eliot. আর আমার এ আশাবাদিতার পেছনে একটা যৌক্তিক কারণও আছে। কারণ আমরা তরুণেরা ক্রমাগত গবেষণা ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছি। যেমন শাহজালাল ইউনিভারসিটির তরুণেরা দেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকা তৈরীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।নর্থ সাউথ ইউনিভারসিটির তরুণেরা সুদূর আমেরিকা থেকে ইমাজিন কাপ অর্জন করেছে। গ্রিন ডেল্টা ইউনিভারসিটির তরুণেরা কচুরিপানা থেকে দৈনিন্দিন ব্যবহার্য আসবাবপত্র তৈরী করতে সমর্থ হয়েছে।সাস্টের অলিক টিম নাসা স্পেস অ্যাপ চ্যালেঞ্জে বিজয়ী হয়েছে। সম্প্রতি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ও তা করে দেখিয়েছে। এগুলোই তো আমাদের এগিয়ে যাবার উদাহারণ। আর আমাদের সিনিয়ররাও তো ভাল কাজ করে রেখে গেছেন এবং করছেন। খুব ভাল লাগে যখন শুনি প্রয়াত বৈজ্ঞানিক জামাল নজরুলের বই বিশ্বের অনেক নামকরা ইউনিভারসিটিতে পড়ানো হয়।সুদিপ্ত দেবের গবেষণা গ্রন্থ নাসার ডাটাবেসে স্থান পায়।ডক্টর মাকসুদুল আলম পাটের জীবন রহস্য উন্মোচন করেন।ডক্টর হাসান শহীদ সোলার হেলিকপ্টার উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেন। তবে হ্যা, গবেষণা সম্বন্ধে আমাদের অনেকের এখনো বিরুপ মানসিকতা আছে। আমার মতে এটা দুই ধরণের। ১।চাকরীগত বিরুপ মানসিকতাঃ এটা বলতে বোঝাচ্ছি আমাদের দেশের অধিকাংশ ছাত্রই ক্যারিয়ার ভিত্তিক পড়াশোনা করে বা করতে বাধ্য হয়।বিশেষ করে স্নাতক পড়ুয়া ছাত্ররা। কারণ পড়াশুনা করে কিছু করতে না পারলে লোকে বেকার বলবে।তাই এরা এত বেশি মগ্ন হয় যে, একাডেমিক পড়াশোনায় অনেক কম মনোযোগ দেয়।আর একাডেমিক ভিত ভালো মজবুত না হলে ভালো রিসার্চ ও করা যায় না। যেমন, হালের বিসিএস ক্রেজের কথাই ধরি। বিসিএস দিয়ে ক্যাডার হতে পারলে সমাজে সম্মান পাওয়া যায়, প্রতিপত্তি অর্জন করা যায়, মেধাবী হওয়া যায়। আর বিশেষ শ্রেণির ক্যাডার হতে পারলে তো অন্য শ্রেণির ক্যাডারদের ওপরে ও ছড়ি ঘোরানো যায়। তাই ডাক্তার ইন্জিনিয়াররাও ছুটছে বিসিএস এর দিকে। আর করবেই না বা কেন। এখানে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান, সাধারণ বিজ্ঞান, নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন বিষয়গুলো নিয়ে মোট ২০০ মার্কসের জগাখিচুড়ি পরীক্ষা হয়। যদি ও পরে রিটেন আর ভাইভা হয়। যা বড় হাস্যকর ও আজব একটা পদ্ধতি। এটা বরং মুখস্ত বিদ্যা কে উৎসাহিত করে। একটা উদাহারণ দেওয়া যাক, বহুদিন আগে, বোধ হয় ১৯৯৯ সালে, বিচিত্রার অক্টোবর সংখা পড়ছিলাম।ওখানে বিসিএস এবং নবেল সম্বন্ধে গাল্পিক ঢঙ্গে একটা লেখা ছাপা হয়েছিল।যেখানে গল্পের নায়কের করা সব প্রশ্নের উত্তরই নায়িকা মুখস্ত বলতে পারে।আজকেও দৃশ্যপটটা পুরোপুরি পালটায় নি।। ২।স্বাভাবিক বিরুপ মানসিকতাঃ এটা বলতে আমি আমাদের স্বাভাবিক বিরুপ মানসিকতাকেই বোঝাচ্ছি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাবেরী গায়েন (এখন তিনি অধ্যাপক) এক লেখাতে বলেছিলেন, "আমি লোভী মানুষের মত গবেষণা পত্রটি আমার ব্যাগে ঢুকিয়ে ডিপার্মেন্টে গেলাম।কিন্তু কেউ একবার ও আমাকে জিজ্ঞেস করে নি, আমি কি নিয়ে গবেষণা করেছি?" একজন তরুণ গবেষক হিসেবে এক্ষেত্রে আমি বা আপনি কী ভুমিকা রাখতে পারি, আমাদরকে অবশ্যই তা নির্ধারণ করতে হবে।আপনি যদি গভীর ভাবে অধ্যয়ন করেন তাহলে দেখবেন এক্ষেত্রে আমাদের কাজ কারবার হবে দুটি জায়গা থেকে Ø Social commitment Ø Motivation in research. Social commitment বলতে আমি বোঝাচ্ছি গবেষক হিসেবে আমাদের তরুণদের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে। তাই আমাদের ছুটে যেতে হবে আমাদের শেকড়ে অর্থাৎ গ্রামে। সংগ্রহ করতে হবে সব ধরণের Indigenous knowledge । মন্থন করে নিয়ে আসতে হবে হীরের টুকরো। আমার মনে হয় প্রাচীন লোকগাথা এবং খনার বচন এক্ষেত্রে ভাল কাজ দিবে। এছাড়া আমাদের যেতে হবে বিভিন্ন আদিবাসী সমাজে। দেখতে হবে তাদের মধ্যে কোনো cultural change এসেছে কিনা। যেমনটা করছেন মার্গারেট মীড সামোয়া দ্বীপে গিয়ে। Motivation in research বলতে বোঝায়, গবেষণায় কিছু ধনাত্মক উপাদান রয়েছে যা একজন গবেষককে গবেষণা করতে উৎসাহিত করবে।পণ্ডিতরা এসব ক্ষেত্রে যেসব factor এর কথা উল্লেখ করেছেন তা হলঃ Ø Desire to get a research degree along with its consequential benefits. ØDesire to face the challenges in solving the unsolved problems. ØDesire to get respect. অর্থাৎ সাদা ভাষায় এসব factor গুলো আপনাকে research এ উৎসাহিত করবে। কিছুদিন আগে আমি Binomial extension এর উপর একটু ভিন্নভাবে কাজ শুরু করেছি। এখনো কাজটি করছি। আসলে আমি এটা করেছি ভিন্নভাবে কাজ করার আনন্দ থেকেই। পাশাপাশি তরুন গবেষকদের কয়েকটি গুনেরও অধিকারি হতে হয়। যেমনঃ >Continuous learning and development: অর্থাৎ তাকে তার কাজটি চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রতিনিয়ত experiment এর মধ্যে থাকতে হবে। যাতে তার কাজটি আরও Developed হয়, quality সম্পন্ন হয়। এজন্য পড়াশোনার বিকল্প নেই। >Imagination আইনস্টাইন একবার বলেছিলেন "কল্পনার ক্ষমতা, জ্ঞানের থেকেও অনেক বেশি।" তাই একজন তরুন গবেষকের হাতে imagination একটা বড় অস্ত্র। এটার যুতসই ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া তরুন গবেষকদের বেশকিছু supporting facility এর দরকার আছে। এখানে আমি দুটির নাম বলব ; >Recognition > Money তরুন গবেষকরা ঠিকমত recognition পায়না। আশাকরি নিকট ভবিষ্যতে সেটির উন্নতি ঘটবে। Money জিনিসটা আসলেই সমস্যার সৃষ্টি করে। অনেক প্রতিষ্ঠিত গবেষকরা ও এ অভিযোগ করেন। আর তরুণদের কথা না হয় নাই বললাম। দু'একটা ভালো বিশ্ববিদ্যালয় বাদে অন্যান্যগুলোতে গবেষণার বরাদ্দ অপ্রতুল। আর আমাদের আর্থসামাজিক অবস্থা এখনো উন্নয়নশীল। তাই সময় লাগবে। তবে লেগে থাকার মানসিকতা আর তীব্র ইচ্ছাশক্তি থাকলে এ বাধা দূর করা সম্ভব। পরিশেষে বলি, গবেষণার দ্বারাই নতুন নতুন জ্ঞানের দ্বার উন্মুক্ত হয়।স্পেনে উমাইয়া শাসনকালীন জিরয়াব যেমনটি করে দেখিয়েছিলেন সঙ্গীতের ক্ষেত্রে। গবেষণার দ্বারাই একটি দেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন হতে হবে। গবেষকদের প্রাপ্য মর্যাদা দিতে হবে। যথাযথ ফান্ডিংয়ের ব্যবস্হা করতে হবে। জানি, তরুণ গবেষকরা অনেক প্রতিশ্রুতিশীল। এ ব্যাপারে আমাদের নিশ্চয়ই এগিয়ে আসতে হবে।আর একজন তরুণ লেখক হিসেবে আমিও যে আশাবাদিদের দলে। References: >C.R.kothary, Research Methodology. >সমকালের সাহিত্য ম্যাগাজিন কালের খেয়ার বিভিন্ন সংখ্যা। >Wikipedia টীকাঃ মার্গারেট মিড ছিলেন প্রথম এবং সর্বাগ্রে একজন সাংস্কৃতিক নৃবিজ্ঞানী যিনি 20 সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একজন গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। শতাব্দী নৃবিজ্ঞান এবং মানবজাতির সামগ্রিক বোঝাপড়ায় তার অবদান অনবদ্য। মার্গারেট মিড একজন লেখক, একজন জাদুঘরের কিউরেটর, একজন অধ্যাপক এবং একজন বক্তা ছিলেন।

ছবি
সেকশনঃ সাধারণ পোস্ট
লিখেছেনঃ তালাল উদ্দিন তারিখঃ 10/02/2023
সর্বমোট 1175 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ