ব্যাকগ্রাউন্ড

ফেইসবুকে!

ভারতীয় পণ্য বয়কটের কেন এই ডাক। একটি সমীক্ষা-অভিমত।।



ভারতীয় পণ্য বয়কটের কেন এই ডাক। একটি সমীক্ষা-অভিমত।।

সাইয়িদ রফিকুল হক

 
বিএনপি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দে দেশে অনুষ্ঠিত “দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে”-এ অংশগ্রহণ করেনি। তারা এই নির্বাচনের বহু আগে থেকেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ না-করার কথা বলে আসছিল। এজন্য তারা সরকারবিরোধী যারপরনাই কঠোর ও জনদুর্ভোগসৃষ্টিকারী কর্মসূচিও দিয়েছিল। নির্বাচন বানচাল করতে এবং নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তথা তত্ত্বাবধায়ক-সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে তারা রাজপথে কয়েক মাস দাপিয়ে বেড়িয়েছে। কিন্তু দেশের সাধারণ জনগণ তাতে সাড়া দেয়নি। তবে বিপুলসংখ্যক ‘বিএনপি’-নেতাকর্মী এতে অংশগ্রহণ করেছিল। দ্বাদশ “জাতীয় সংসদ নির্বাচন” প্রতিহত করার জন্য তারা দেশে নির্বাচনবিরোধী একটি জোটও গঠন করেছিল। তারা দীর্ঘ কয়েক মাস যাবৎ আন্দোলন বেগবানও করেছিল। এমনকি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কিছুদিন আগে থেকে তারা ভয়ানকভাবে রাজপথে নামে। কিন্তু এতেও সাধারণ জনগণ সাড়া দেয়নি। ফলে তারা নির্বাচনকে যেকোনোমূল্যে প্রতিহত করার জন্য পুলিশ-হত্যা থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্নস্থানে বাসে-ট্রেনে অগ্নিসংযোগ করতে থাকে। এতে বহু সাধারণ মানুষ হতাহত হয়। তাদের এই আন্দোলনে শরিক হয় একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারের দল ‘জামায়াত-শিবির’। এরপর ঘোষিত হয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফসিল। তখন তারা কিছুটা দমে যায়। আর বিদেশি মুরুব্বিদের কথায় ও কৌশলগত কারণে আস্তে-আস্তে পিছু হটতে থাকে। কিন্তু একসময় নির্বাচন প্রতিহত করতে চেয়ে ব্যর্থ হয়ে তারা ভীষণভাবে হতাশ ও মনোবল হারিয়ে ক্ষুব্ধ হয়। বিএনপি এখনও তাদের  সেই পুরনো দাবির পথেই অনড় ও অটল রয়েছে!
 
নির্বাচনের আগে তারা সম্পূর্ণভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের কয়েকটি মিত্র-রাষ্ট্রের উপর নির্ভর করেছিল। তারা মনে করেছিল, বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি আমেরিকা এই নির্বাচন বানচাল করার জন্য কিছু-একটা করবে। বাংলাদেশে নিষেধাজ্ঞা আসবে। সরকারের ওপর ভয়ানক চাপসৃষ্টি করবে আমেরিকা। এমনকি তারা নির্বাচন বানচালের জন্য ভারতের দ্বারস্থও হয়েছিল। কিন্তু ভারত তাতে বিন্দুমাত্র সাড়া দেয়নি।
 
নির্বাচনের পর থেকে ‘বিএনপি’ নানাভাবে হতাশায় নিমজ্জিত। কিন্তু এর থেকে তারা পরিত্রাণ চায়। কিন্তু কীভাবে? ইতোমধ্যে দেশে দ্বাদশ “জাতীয় সংসদ নির্বাচন” সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায়, সরকার-গঠিত হওয়ায়, এবং এই সরকারকে বিশ্বের প্রায় সকল রাষ্ট্র মেনে নেওয়ায় তারা একেবারে দিশেহারা হয়ে পড়ে। দলের মধ্যে বাড়তে থাকে হতাশা, গ্লানি ও অন্তর্দ্বন্দ্ব (অবশ্য এই অন্তর্দ্বন্দ্ব নির্বাচনের আগেও তাদের মধ্যে ছিল)। সবশেষে, দলের ও রাজনীতির ভবিষ্যৎ-ভাবনায় তারা একেবারে অস্থির হয়ে ওঠে। বাংলাদেশের ‘বিএনপি’ বর্তমানে এমন একটি দল—যাদের দেশে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কোনো ‘কার্যকরী-কমিটি বা নেতা’ নেই। তাদের সব সিদ্ধান্ত আসে লন্ডন থেকে। সেখান থেকে জারী করা হয় শাহী ফরমান!
 
সম্প্রতি বিএনপি ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের ডাক দিয়েছে। এটা তারা বুঝে না না-বুঝে করেছে—তা তারাই ভালো বলতে পারবে। তবে এটা তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। জন্মলগ্ন থেকে ‘বিএনপি’ নামক দলটি ভারতবিরোধী। এটা তাদের রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার ও পুঁজি।  শুধু তাই নয়—এটি তাদের রাজনীতির একটি অপরিহার্য কৌশলও বটে। এই দেশে ‘বিএনপি’র টিকে থাকার প্রধান তিনটি অস্ত্রের মধ্যে এটি অন্যতম একটি। আসুন, তাহলে দেখি এই দেশে ‘বিএনপি’র রাজনৈতিকভাবে টিকে থাকার প্রধান তিনটি অস্ত্র কী:
 
১. মুখে বিসমিল্লাহ। মুখে-মুখে আল্লাহ-রসুল ও ইসলাম-প্রেম। ধর্মের নামে রাজনীতি করা।
২. দেশে একাত্তরের সর্বস্তরের যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারদের পুনর্বাসন করা। দলে ঠাঁই দেওয়া। তাদের সঙ্গে সবসময় সখ্যভাব বজায় রাখা। তাদের নিজের ভাই-বেরাদার ভাবা।
৩. মুখে-মুখে সবসময় ভারতবিরোধিতা (তারা অন্তরেও ভারতবিরোধী। তবে ক্ষমতার জন্য ভারতের কাছে যেকোনোসময় নতজানু হতে বিন্দুমাত্র বিলম্ব হবে না। কিংবা এজন্য তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনাও কাজ করবে না)। আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে তাদের এই ভারতবিরোধিতা। কিন্তু ক্ষমতায় গেলে ভারততোষণ। ভারতকে সবসময় তোয়াজ করে চলা।
 
এটা তাদের রাজনৈতিক স্ট্র্যাটেজি। সে-বিষয়ে এখন মদীয় কথা নয়। তবে তাদের মনোভাব ও মনোবৃত্তি আগে বোঝা দরকার। সেই হেতু এইসব কথার অবতারণা করা হয়েছে। এবার মনে হয় তারা ভিন্ন কৌশলে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। ভারতীয় পণ্য বর্জনের ক্ষেত্রে কী তাদের উদ্দেশ্য? এবার এই বিষয়ে নিম্নে কতিপয় ব্যাখ্যা তুলে ধরা হলো:
 
বিএনপি’র ভারতবিরোধিতার আড়ালে রয়েছে পাকিস্তানপ্রীতি। তারা কি ইন্ডিয়াকে আউট করে পাকিস্তানকে ইন করাতে চাচ্ছে? ভূ-রাজনীতিতে ‘বিএনপি’ কি অন্যভাবে হিসাবনিকাশ করছে? কিংবা অতীতের মতো নানাবিধ ছক কষছে? সে প্রশ্নের জবাব মিলবে আরও কিছুকাল পরে। সে-পর্যন্ত দেশের মানুষকে একটু অপেক্ষা করতে হবে।
দেশে ভারতীয় পণ্য-সরবরাহ কমে গেলে বাজারে জিনিসপত্রের দাম আরও বেড়ে যাবে। এতে কিছুটা জনদুর্ভোগসৃষ্টি হবে। এজন্য কিছুটা জন-অসন্তোষও সৃষ্টি হতে পারে। আর এতে কি ‘বিএনপি’ কোনো রাজনৈতিক ফায়দা লোটার কথা ভাবছে?
বিএনপি জন্মলগ্ন তথা সুদূর অতীত থেকে সাম্প্রদায়িক দলগুলোকে তোষণ করতে শুরু করে। বর্তমানে এইজাতীয় দলগুলোকে বগলদাবা করেছে। তাদের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে। বর্তমানে তাদের সবরকমের সাহায্য-সহযোগিতাও করছে। তাদের আশ্রয়প্রশ্রয়দাতা থেকে শুরু করে তাদের সঙ্গে গভীর সখ্যভাব গড়ে নিজেরাই বর্তমানে একটি সাম্প্রদায়িক দলে পরিণত হয়েছে। এ-কথা বললে কি খুব বেশি বলা হবে? সকল সাম্প্রদায়িক অপশক্তি আজ তাদের মিত্র। তারা কি ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের নামে দেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান ঘটাতে চাচ্ছে? নাকি তাদের জোরালো সমর্থন চাচ্ছে? অবশ্য সেটা ‘বিএনপি’ই ভালো বলতে পারবে।
 
এবার ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের ঘোষণার সুদুরপ্রসারী ফলাফল নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো:
 
১. প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ‘পণ্য-বয়কটে’র ঘোষণা একটি চরম মূর্খতা। সীমাহীন অজ্ঞতা। এর ফল কখনোই ভালো হয় না। এর কোনো ‘আউটপুট’ নাই। আর এতে ‘ইনপুট’ যাই করুক না কেন—ফলাফল একেবারে শূন্য। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ‘পণ্য-বয়কটে’র কথা বলে নিজেদের সম্পর্ক খারাপ করার কোনো মানে হয় না। এতে বিন্দুমাত্র লাভের দেখা মিলবে না। এক্ষেত্রে, যেটা করা যায় সেটা হলো—দুই দেশের মধ্যে ‘পণ্য-আমদানি-রপ্তানি’র বৈষম্য কমিয়ে আনা। সেটা করতে হবে একান্ত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে। ‘পণ্য-বর্জনে’র মতো খামখেয়ালির দ্বারা কখনোই ভালোকিছু অর্জন করা সম্ভব নয়। ভারত অন্য কোথাও বাজার ধরতে পারবে। সেদিক থেকে তাদের যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে।
২. ‘ভারতীয় পণ্য’ না-এলে আমাদের দেশের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। যেমন, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, মরিচ, আলু ইত্যাদি। সম্প্রতি, ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন ‘পেঁয়াজ-আমাদানি’র ঘোষণা শুনে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ১০০-১২০ থেকে ৫০-৬০ টাকায় নেমে আসে। আবার, ভারত (আমাদের ৫০ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করার পর) ‘পেঁয়াজ-রপ্তানি’তে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে! কী বুঝলেন? সরকারি দল দাবি করছে, বিএনপি ‘ভারতীয় পণ্য’ বর্জনের ঘোষণার মাধ্যমে দেশের বাজারকে অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে। তারা ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের কথা বলে দেশের বাজারে সাধারণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাচ্ছে। কথাটা চিন্তার বিষয়!
৩. দেশে হঠাৎ করে আবার জিনিসপত্রের দাম বাড়লে ‘বিএনপি’র লাভ। আর ‘ভারতীয় পণ্য’ আগের মতো আমাদের দেশে না-এলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম বেড়ে যাবে। এতে জনগণ ক্ষুব্ধ হবে!?। এমনটা ভাবছে বিএনপি। এতে তারা ঘোলাপানিতে মাছশিকার করতে পারবে!
৪. অনেকে এটাও ভাবছেন, বিএনপি দেশে সাম্প্রদায়িক একটা উস্কানির চেষ্টা চালাচ্ছে। নইলে হঠাৎ করে এভাবে ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের ডাক দিয়েছে কেন? আর এমন একটা ঘোষণা দিলেই হলো! তাদের কথায় দেশের কতজন ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কট করবে?
৫. পূর্বেই বলেছি, বিএনপি ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ ঠেকাতে সবরকমের ব্যবস্থাই করেছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। তারা এব্যাপারে সবসময় মনগড়া একটা অভিযোগ করে আসছিল যে—ভারত আওয়ামীলীগকে নির্বাচনে সহায়তা করেছে! এক্ষেত্রে, ভারতবিরোধিতায় তাদের মন-মননে ও আদর্শ-চেতনায় নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। অনেকে এও মনে করছেন, এবার তাই ভারতের বিরুদ্ধে একটা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই ‘বিএনপি’ এই কাজটি করেছে।
৬. বিএনপি’র এই ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের ডাক দেওয়ার মধ্যে দেশপ্রেমের কোনোকিছু নেই। যা আছে তা হলো—রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করা। সেই অপচেষ্টাই তারা করে যাচ্ছে।
 
ফেসবুকে ‘বিএনপি-দলীয়’ এক পরিচিতজনকে হঠাৎ ইন্ডিয়ায় দেখে বললাম, “ভাই ,আপনি মাদ্রাজে কেন? আপনার দল তো ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের ডাক দিয়েছে! সে বললো, “আমি চিকিৎসার্থে মাদ্রাজে এসেছি। আমার চিকিৎসা চলছে। আরও কিছুদিন সময় লাগবে।”
পুনরায় আমি তাকে বললাম, “তাহলে, এই বয়কট?”
সে হাসিমুখে বললো, “চিকিৎসা-সেবা বয়কটের আওতাভুক্ত নয়!”
 
১৯৭১ সালে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে ভারত সবচেয়ে বড় সহায়তাদানকারী রাষ্ট্র। ভারত সেদিন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহায্য-সহযোগিতা না-করলে এই দেশ স্বাধীন করা সম্ভবপর হতো না। এ-দেশের সর্বস্তরের রাজাকাররা এজন্য মনেপ্রাণে আজও ভারতকে ঘৃণা করে। ‘ভারতীয় পণ্য’ বয়কটের এই হুজুগ-ডাকে এ-দেশীয় সর্বস্তরের রাজাকারদের দারুণভাবে আশান্বিত করেছে। এইবার অন্তত একটা প্রতিশোধ নেওয়া যাবে ভারতের বিরুদ্ধে! ‘বিএনপি’র এই ভারতবিরোধী ডাকে ইতোমধ্যে খুশি হয়ে সাড়া দিয়ে জামায়াতের আমির যুদ্ধাপরাধী-দোসর ও রাজাকারপুত্র শফিকুর রহমান ইতোমধ্যে বলে ফেলেছে, সরকারবিরোধী লড়াইয়ে ‘বিএনপি’র সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে জামায়াত! লড়াই করবে ‘বিএনপি’র সঙ্গে—তাও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে! জাতি-ভাইদের প্রতি দরদটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন?
সুতরাং, সাধু সাবধান। দেশবাসী সাবধান। আমাদের শত্রু-মিত্র চিনে আমাদের সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। দেশের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক অব্যাহত রাখতে হবে। হ্যাঁ, ভারতের গঠনমূলক সমালোচনা অবশ্যই হতে পারে। কিন্তু তাই বলে ভারতের সঙ্গে শত্রুতা করা, ভারতের ক্ষতি করা, দীর্ঘমেয়াদী শত্রুতাসৃষ্টির লক্ষ্যে এহেন কার্যকলাপ ও বিভেদসৃষ্টির পাঁয়তারা কখনোই কাম্য নয়।
 
আমাদের খুব মনে রাখতে হবে, ভারত থেকে এ-দেশে কোনো ‘কনডম, জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি ও পতিতা’ আসে না। আসে আমাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী। যেমন, ওষুধ, চিকিৎসা-সামগ্রী, খাদ্রদ্রব্য, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, মূল্যবান বইপত্র ইত্যাদি। আর এগুলোর প্রয়োজন রয়েছে। তাই, সস্তা রাজনীতির স্বার্থে যে-ই যা করুন না কেন, দেশের ও জনগণের কথা ভাববেন সবার আগে। হুজুগে বাঙালিকে একটা ‘হুজুগ’ ধরিয়ে দিয়ে কোনো কাজ হবে না। আজকাল সবাই হুজুগে মাতে না।
 
জয় হোক বাংলার।
জয় হোক বাঙালির।
আর জয় হোক মনুষ্যত্বের।
 
 
সাইয়িদ রফিকুল হক
মিরপুর, ঢাকা।
২৫-০৩-২০২৪
 

ছবি
সেকশনঃ সাম্প্রতিক বিষয়
লিখেছেনঃ সাইয়িদ রফিকুল হক১ তারিখঃ 03/04/2024
সর্বমোট 213 বার পঠিত
ফেসবুকের মাধ্যমে কমেন্ট করুণ

সার্চ